VOLLUME 01, ISSUE 01, (JULY - DECEMBER) 2024
Published On 15 th September 2024

Nationalism and the Stage: The Patriotism of Female Actresses (1875-1905)

জাতীয়তাবাদ ও রঙ্গমঞ্চঃ অভিনেত্রীদের স্বদেশচেতনা (১৮৭৫ খ্রি.- ১৯০৫ খ্রি.)

Author – Payel Deshmukh

Language – Bengali

Published Date – 15th September 2024

Nationalism and the Stage: The Patriotism of Female Actresses (1875-1905)
Article Id- KAB-2024-1-1PD1

জাতীয়তাবাদ ও রঙ্গমঞ্চঃ অভিনেত্রীদের স্বদেশচেতনা (১৮৭৫ খ্রি.- ১৯০৫ খ্রি.)

Nationalism and the Stage: The Patriotism of Female Actresses (1875-1905)

পায়েল দেশমুখ

Payel Deshmukh

PhD Researcher, Department of History, Jadavpur University


Abstract

উনিশ শতকে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর উত্থানের সঙ্গে বাংলার সংস্কৃতি জগতেরও পালাবদলের সূচনা হয়। বাংলা থিয়েটারও তাঁর ব্যাতিক্রম নয়। ১৮৭২ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় ন্যাশানাল থিয়েটার। ন্যাশানাল থিয়েটারের হাত ধরেই বাংলায় পেশাদার থিয়েটারেরও সূচনা হয়েছিল। পূর্বে রঙ্গালয়ে স্ত্রী চরিত্রে পুরুষরা অভিনয় করতেন। কিন্তু বেঙ্গল থিয়েটার প্রতিষ্ঠার পর মাইকেল মধুসূদনের পরামর্শে স্ত্রী চরিত্রে মহিলারাই অভিনয় করতে আরম্ভ করেন। উল্লেখ্য এই মহিলারা মূলত আসতেন বারঙ্গনাপল্লী থেকে। জাতীয়তাবাদী ভাবাদর্শ ও চিন্তা-ভাবনা সংস্কৃতির অঙ্গনে ‘থিয়েটার’-এর ক্ষেত্রে বিস্তার লাভ করেছিল বাবু থেকে মধ্যবিত্ত ভদ্রলোকের হাত ধরে। বাংলা নাটকে স্বদেশিকতার প্রভাব পড়তে শুরু করে উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে। ১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে ন্যাশনাল থিয়েটারের ডিরেক্টর হন উপেন্দ্রনাথ দাস। উপেন্দ্রনাথ ডিরেক্টর হওয়ার পর থেকেই গ্রেট ন্যাশনাল থিয়েটারে দেশাত্মবোধক নাটক অভিনয়ের দিকে ঝোঁক পড়ে। এই সময় বাংলা থিয়েটারের দেশপ্রেম প্রচারের সবচেয়ে বড়ো কুশীলব হয়ে উঠেছিলেন জগত্তারিনি, এলোকেশী, সুকুমারী, বিনোদিনী, কাদম্বিনী, ক্ষেত্রমনি-র মতো অভিনেত্রীরা। এই প্রবন্ধের প্রধান আলোচ্য বিষয় হল, উনিশ শতকে বাংলায় জাতীয়তাবাদী চিন্তার বিকাশে বঙ্গ রঙ্গালয়ের অভিনেত্রীদের ভূমিকা কিরূপ ছিল তা বিশ্লেষণ করা।

Keywords: Bengali theatre, middle class, Bengal theatre, Barangana, Swadeshi, actress, constructive nationalism, devotional passion.
সূচক শব্দ : বাংলা থিয়েটার, মধ্যবিত্ত শ্রেণি, বেঙ্গল থিয়েটার, বারাঙ্গনা, স্বদেশি, অভিনেত্রী, গঠনমূলক জাতীয়তাবাদ, ভক্তি রস।

Conflicts of Interest: The author declares no conflicts of interest.

Funding: No funding was received for this research.

Author Contributions: The author solely contributed to the conceptualization, analysis, and writing of this article.

Acknowledgements: The author acknowledges the intellectual inspiration drawn from the works of Rup Kumar Barman and the broader discourse on marginal historiography.

Article History: Received: 15th July 2024; Accepted: 7th August 2024; Published: 15th September 2024.

Author ORCID iD: No

Corresponding Author: Payel Deshmukh (Email: icebluepayeldeshmukh@gmail.com)

Language: Bengali

SDG Focus: SDG 4: Quality Education; SDG 5: Gender Equality; SDG 10: Reduced Inequalities; SDG 11: Sustainable Cities and Communities;

Copyright: © 2024 by the author.

License: This work is licensed under a Creative Commons Attribution 4.0 International License (CC BY 4.0) https://creativecommons.org/licenses/by/4.0/

Published by: KATHOPOKATHAN – ATIT O BARTAMAN

Journal Website: https://kathopokathan.in/

Article URL: https://kathopokathan.in/2024-voll-01/#KAB-2024-1-1PD1

Citation: Dehmukh, Payel. (2024). জাতীয়তাবাদ ও রঙ্গমঞ্চঃ অভিনেত্রীদের স্বদেশচেতনা (১৮৭৫ খ্রি.- ১৯০৫ খ্রি.). Kathopokathan – Atit O Bartaman, VOLLUME 01, ISSUE 01, page numbers: 1-6..

A novel reimagining of individual and collective life

ব্যাক্তি আর সমষ্টিজীবনের অভিনব পুন-দর্শন

Author – Sanjukta De

Language – Bengali

Published Date – 15th September 2024

A Novel Re-vision of Individual and Collective Life
Article Id- KAB-2024-1-1SD2

ব্যক্তি আর সমষ্টিজীবনের অভিনব পুনর্দর্শন

A Novel Re-vision of Individual and Collective Life

সংযুক্তা দে

Sanjukta De

PhD Researcher, Department of Ancient Indian History and Culture, University of Calcutta


Abstract

‘পরিবর্ত অনুসন্ধানঃ রাষ্ট্র নাগরিকত্ব বাস্তুচ্যুতি ও ইতিহাসচর্চা’ ডক্টর রূপ কুমার বর্মণের সাম্প্রতিকতম পুস্তক, যেখানে তিনি তাঁর জীবনের বিভিন্ন পর্যায় বিশদভাবে তুলে ধরেছেন। ইতিহাসচর্চার ব্যতিক্রমী পথ অনুসরণ করে লেখক প্রান্তিক জনজাতির জীবন ও অভিজ্ঞতাকে গ্রন্থে উপস্থাপন করেছেন, যারা দুর্গম অরণ্য ও প্রত্যন্ত গ্রামে বসবাস করে। তাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ইতিহাসের পরিবর্তনশীল ধারাকে তিনি ব্যাখ্যা করেছেন। ব্যক্তিগত জীবনের এই যাত্রায় আলিপুরদুয়ার জেলার রায়ডাক নদী তীরবর্তী গ্রাম থেকে দার্জিলিং-এর সেন্ট জোসেফ কলেজে কর্মজীবনের সূচনার অভিজ্ঞতাও বর্ণিত হয়েছে। একটি অধ্যায়ে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার তুলনায় ঔপনিবেশিক জ্ঞানতত্ত্বের আলোকে বাংলার সমাজগঠনের বিশ্লেষণ অধিক গুরুত্ব পেয়েছে। গ্রন্থে ভারতীয় উপমহাদেশের জাত ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণাভিত্তিক আলোচনা রয়েছে এবং নিম্নবর্গীয় ইতিহাসচর্চার একটি স্বতন্ত্র ধারা অনুসন্ধানের প্রয়াস লক্ষ করা যায়। শেষ অধ্যায়ে কলকাতায় কর্মজীবনের প্রেক্ষাপটের পাশাপাশি মহানগর ও গ্রামীণ জীবনের পার্থক্যও তুলে ধরা হয়েছে। দেশভাগ, বাস্তুচ্যুতি এবং তপশিলি উদ্বাস্তুদের সমস্যাও গ্রন্থে গুরুত্বসহকারে আলোচিত। এই গ্রন্থটি কেবল স্মৃতিচারণ নয়; ব্যক্তি-অভিজ্ঞতা, সমকালীন রাজনীতি, সমাজ এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রামের সমন্বিত উপস্থাপনা, যা একে বিশেষ তাৎপর্য প্রদান করেছে।

Keywords: Marginalized People, Cold War, Subaltern Studies, Refugees
সূচক শব্দ :প্রান্তিক মানুষ, শীতল যুদ্ধ, প্রাগজ্যোতিষ-কামরূপ, সাবঅল্টার্ন স্টাডিজ, তপশিলি উপজাতি উদ্বাস্তু।

Conflicts of Interest: The author declares no conflicts of interest.

Funding: No funding was received for this research.

Author Contributions: The author solely contributed to the conceptualization, analysis, and writing of this article.

Acknowledgements: The author acknowledges the intellectual inspiration drawn from the works of Rup Kumar Barman and the broader discourse on marginal historiography.

Article History: Received: 15th July 2024; Accepted: 7th August 2024; Published: 15th September 2024.

Author ORCID iD: https://orcid.org/0000-0001-7036-2793

Corresponding Author: Sanjukta De (Email: sanjukta.jhimli@gmail.com)

Language: Bengali

SDG Focus: SDG 10: Reduced Inequalities; SDG 4: Quality Education; SDG 11: Sustainable Cities and Communities; SDG 16: Peace, Justice and Strong Institutions

Copyright: © 2024 by the author.

License: This work is licensed under a Creative Commons Attribution 4.0 International License (CC BY 4.0) https://creativecommons.org/licenses/by/4.0/

Published by: KATHOPOKATHAN – ATIT O BARTAMAN

Journal Website: https://kathopokathan.in/

Article URL: https://kathopokathan.in/2024-voll-01/#KAB-2024-1-1SD2

Citation: De, Sanjukta. (2024). ব্যাক্তি আর সমষ্টিজীবনের অভিনব পুন-দর্শন [A Novel Re-vision of Individual and Collective Life]. Kathopokathan – Atit O Bartaman, Volume 01, Issue 01, pp. 1–5.

Raja Rammohan Roy’s Scientific Temperament and India’s Renaissance

রাজা রামমোহন রায়ের বিজ্ঞানমনস্কতা এবং ভারতের নবজাগরণ

Author – Shibshankar Senapati

Language – Bengali

Published Date – 15th September 2024

Raja Rammohan Roy's Scientific Temperament and India's Renaissance
Article Id- KAB-2024-1-1SS3

রাজা রামমোহন রায়ের বিজ্ঞানমনস্কতা এবং ভারতের নবজাগরণ

Raja Rammohan Roy's Scientific Temperament and India's Renaissance

শিবশংকর সেনাপতি

Shibshankar Senapati

Former Headmaster, Birbhadrapur Raghunath High School (H.S)


Abstract

রাজা রামমোহন রায় ছিলেন ভারতীয় নবজাগরণের অন্যতম প্রধান অগ্রদূত। রেনেসাঁসের প্রভাবে বাংলা তথা ভারতবর্ষে যে নতুন মানবতাবাদী ও যুক্তিবাদী চিন্তার উন্মেষ ঘটে, তার সর্বপ্রথম ও সার্থক প্রকাশ দেখা যায় তাঁর জীবন ও কর্মে। তিনি মধ্যযুগীয় ধর্মীয় গোঁড়ামি, কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে সমাজে জ্ঞান, যুক্তি ও মননশীলতার প্রসার ঘটান। সতীদাহ প্রথা রদের আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা ভারতীয় সমাজসংস্কারের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী অধ্যায়। রামমোহন বিশ্বাস করতেন যে আধুনিক শিক্ষা, বিজ্ঞানমনস্কতা ও যুক্তিবোধই সমাজকে উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। সাহিত্য, ধর্ম, সমাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে তিনি আধুনিকতার বীজ বপন করেন এবং ভারতবাসীকে মানবতাবাদী চেতনার পাঠ দেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে ‘ভারত পথিক’ আখ্যা দিয়েছিলেন, কারণ তাঁর চিন্তাধারা ধর্মীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও মানব ঐক্যের বার্তা বহন করেছিল। প্রকৃতপক্ষে, রামমোহন রায় শুধু নবজাগরণের পথপ্রদর্শকই নন, তিনি আধুনিক ভারত গঠনের অন্যতম ভিত্তিস্থাপক।

Keywords: Raja Rammohan Roy, India, Renaissance, Science, Education, Renaissance.
সূচক শব্দ : রাজা রামমোহন রায়, ভারতের, রেনেসাঁস, বিজ্ঞান, শিক্ষা, নবজাগরণ।

Conflicts of Interest: The author declares no conflicts of interest.

Funding: No funding was received for this research.

Author Contributions: The author solely contributed to the conceptualization, analysis, and writing of this article.

Acknowledgements: The author acknowledges the intellectual inspiration drawn from the works of Rup Kumar Barman and the broader discourse on marginal historiography.

Article History: Received: 15th July 2024; Accepted: 7th August 2024; Published: 15th September 2024.

Author ORCID iD: No

Corresponding Author: Shibshankar Senapati (Email: NO)

Language: Bengali

SDG Focus: SDG 4: Quality Education; SDG 5: Gender Equality; SDG 10: Reduced Inequalities; SDG 11: Sustainable Cities and Communities;

Copyright: © 2024 by the author.

License: This work is licensed under a Creative Commons Attribution 4.0 International License (CC BY 4.0) https://creativecommons.org/licenses/by/4.0/

Published by: KATHOPOKATHAN – ATIT O BARTAMAN

Journal Website: https://kathopokathan.in/

Article URL: https://kathopokathan.in/2024-voll-01/#KAB-2024-1-1SS3

Citation: Senapati, Shibshankar. (2024 রাজা রামমোহন রায়ের বিজ্ঞানমনস্কতা এবং ভারতের নবজাগরণ [Raja Rammohan Roy's Scientific Temperament and India's Renaissance]. Kathopokathan – Atit O Bartaman, VOLLUME 01, ISSUE 01, page numbers: 1-6.

British government’s forest policy and wildlife killing: A review of the struggle for rights and existence

ব্রিটিশ সরকারের অরণ্য নীতি ও বন্য প্রানী নিধন : অধিকার ও অস্তিত্বের সংগ্রাম নিয়ে একটি পর্যালোচনা

Author – Sujit Poria

Language – Bengali

Published Date – 15th September 2024

প্রাচীনকাল থেকে শাসক ও উচ্চবৃত্তদের মধ্যে আমোদ-প্রমোদ এবং বীরত্ব ও ক্ষমতা প্রদর্শন করার মাধ্যম ছিল শিকার করা। ব্রিটিশরা ভারতে আসার আগে সাধারণ ভাবে দুই রকমের কারনে শিকার করার প্রথা প্রচলিত ছিল। প্রথম হল জীবিকার জন্য শিকার করা। অরণ্যের অধিবাসীরা এই শিকার করতেন তাদের খাদ্যের জোগানের জন্য। অন্যটি হল বিনোদন বা সামাজিক মর্যাদার জন্য শিকার। ব্রিটিশ সরকার নিজেদের অর্থনৈতিক স্বার্থের বন উচ্ছেদ করে নতুন করে কৃষি ব্যবস্থার সম্প্রসারণ করা এবং সেখান থেকে রাজস্ব আদায় করা। ভারতে উপনিবেশিক শাসনের মূল লক্ষ্যই ছিল সাম্রাজ্যের স্বার্থে উপনিবেশিক অর্থনীতির উৎস গুলিকে সুস্থিতি প্রদান করা। এই সুস্থিতি প্রদান করার জন্য বনের হিংস্র প্রানীদের নিয়ন্ত্রন করে বা হত্যা করে কমিয়ে আনার প্রয়োজন হয়ে পরে। এই কাজটি সম্পাদন করার জন্য পেশাদার ব্যক্তিদের বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এখানে আমার গবেষণা পত্রে ব্রিটিশ সরকারের গৃহীত অরণ্য নীতি নেওয়ার সাথে সাথে কিভাবে বন্য পশু হত্যায় মেতে উঠেছিল তা নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে।

Ratauna Movement: A unique example of a Hindu-Muslim united movement

রতৌনা আন্দোলন: হিন্দু-মুসলিম সংঘবদ্ধ আন্দোলনের এক অনন্য নজির

Author – Palash Senapati

Language – Bengali

Published Date – 15th September 2024

        মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলার রতৌনা গ্রামে ১৯২০ সালে ব্রিটিশ কোম্পানি কাসাইখানা খুলেছিল। এর প্রতিবাদে প্রদেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রবন্ধ ইত্যাদি প্রকাশিত হলেও কোনো সুনির্দিষ্ট ফল পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত কসাইখানা বন্ধের জন্য একটি আন্দোলন কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি এমন একটি সুসংগঠিত আন্দোলন করেছিল যার ফলস্বরূপ সরকারকে মাথা নত করতে হয়েছিল এবং কসাইখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এই আন্দোলন ছিল একদিকে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে হিন্দু-মুসলিম সংঘবদ্ধতার প্রতীক অন্যদিকে; ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে ভারতীয় জনগনের প্রথম বিজয়।

Nalanda and Bakhtiyar Khilji: A Historical Assessment

নালন্দা ও বখতিয়ার খিলজি : একটি ঐতিহাসিক মূল্যায়ণ

Author – Sayak Kumar Dutta

Language – Bengali

Published Date – 15th September 2024

       আমরা সকলেই জানি যে, প্রাচীন ভারতবর্ষের মাটিতে থাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থা, প্রাচীন ভারতের ইতিহাসকে বিশ্বের দরবারে এক শ্রেষ্ঠ আসনে উন্নীত করেছে। নালন্দা, ওদন্তপুরী, সোমপুরা বা বিক্রমশিলার মতো অথবা এর বাইরেও বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাচীন ভারতীয় সমাজ, এমনকি বিদেশের মাটিতে জ্ঞানের প্রসারের কাজে নিযুক্ত ছিলো। কিন্তু, ভুলে গেলে চলবে না যে, ভারতবর্ষীয় সমাজ কিন্তু আদ্যিকাল থেকেই সংঘর্ষশীল, তা সে বহিঃশত্রুর সাথেই হোক বা নিজেদের মধ্যে। তাই, এই সাংঘর্ষিক পরিবেশের প্রভাব, প্রতিনিয়তই শিক্ষায়তনের উপরেও পরিলক্ষিত হয়েছে। ঠিক সেইরকম একটা শিক্ষায়তন ছিলো নালন্দা মহাবিহার। তবে, এই শিক্ষায়তনের ধ্বংসের বিষয়টি, আজও একটি বড়ো প্রশ্নচিহ্ন! কেন, কীভাবে, কখন, কে – এই শিক্ষায়তনের গৌরবকে সম্পূর্ণরূপে ধূলিসাৎ করেছিলেন, তা আজও একটি বিতর্কিত বিষয়। নিম্নলিখিত প্রবন্ধে তাই এই বিতর্কিত বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করা ও একটি সম্ভাব্য কিন্তু তর্কাতীত নয়, এমন একটি ঐতিহাসিক মূল্যায়ণ করার সর্বোত্তম চেষ্টা করা হয়েছে।

Ashutosh Dalui, the hero who died fighting for the unsung Nila village

অনালোকিত নীলা গ্রামের মৃত্যুঞ্জয়ী বীর আশুতোষ দলুই

Author – Dipankar Naskar

Language – Bengali

Published Date – 15th September 2024

   সত্যাগ্রহ ও অসহযোগ আন্দোলনের পর গান্ধীর অন্যতম রাজনৈতিক অস্ত্র ছিল অহিংস আইন অমান্য আন্দোলন। লবণ আইন ভঙ্গের সঙ্গে যুক্ত হয় হরতাল, পিকেটিং, মাদক দ্রব্য বর্জন প্রভৃতি। গান্ধীজির এই ডাণ্ডি অভিযান ছিল একটি গণ আন্দোলনের অশনি সঙ্কেত। আইন অমান্য আন্দোলনের সময় বাংলায় প্রাদেশিক কংগ্রেসে চরম অন্তর্দ্বন্দ্ব চলছিল। সুভাষচন্দ্র বসু ও যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত দুটি শিবিরে বিভক্ত হয়ে আইন অমান্য আন্দোলন পরিচালনা করতে চেয়েছিলেন। এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতাসহ চব্বিশ পরগনা, মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ প্রভৃতি অঞ্চলে বিদেশি বস্ত্ৰ বয়কট, সরকারি কর্মচারি বয়কট, ইউনিয়ন বোর্ড বিরোধী আন্দোলন, পুলিশের উপর আক্রমণ, রাস্তা কাটা, ব্রিজ ধ্বংস হতে থাকে। গান্ধীজির ডাকে সাড়া দিয়ে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার গ্রামাঞ্চলে এই আন্দোলন ‘নুনমারা আন্দোলন’ নামে পরিচিত হয়। সমগ্র নিম্নগাঙ্গেয় অঞ্চল জুড়ে আন্দোলনের ব্যাপ্তি ঘটে এবং ডায়মন্ডহারবার মহকুমায় আন্দোলনের ঢেউ আছড়ে পড়েছিল চরম মাত্রায়। আলোচনার প্রধান কেন্দ্র দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিপ্লব তীর্থ নীলা গ্রাম ও মৃত্যুঞ্জয়ী বীর কিশোর আশুতোষ দলুই। এই আলোচনায় নীলাগ্রাম তথা ডায়মন্ডহারবার মহকুমায় আইন অমান্য আন্দোলনের বিস্তৃত ঘটনার বিশদ বিবরণ এবং মৃত্যুঞ্জয়ী কিশোর বীর আশুতোষ দলুই সম্পর্কে পাঠকদের জ্ঞাত করার প্রয়াস হয়েছে।

Seven decades of independence and workers’ rights: The struggle continues and will continue

স্বাধীনতার সাত দশক ও শ্রমজীবীর অধিকার: লড়াই চলছে, চলবে

Author – Prasenjit Mukherjee

Language – Bengali

Published Date – 15th September 2024

       স্বাধীনতা মুক্তির দ্যোতক। আর কে না জানে অধিকার বিনা মুক্তি অলীক কল্পনাসম। খুব বেশি দূর যাওয়ার দরকার নেই, ভারতীয় সংবিধানের পাতা উল্টোলেই দেখতে পাওয়া যায় মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি নাগরিকের হক। অধিকার একটা আন্তর্জাতিক বিষয়ও বটে। কিন্তু রাজনীতি নিয়ে আমরা যতটা ভাবি, অধিকার নিয়ে ভাবনা তেমন একটা চোখে পড়ে না। আমাদের দাবির বিষয়কে আমরা যতটা রাজনীতি দিয়ে ভাবি, ততটা অধিকার দিয়ে ভাবি না। আর যদি সেই অধিকারের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তথাকথিত ‛প্রান্তিক’, ক্ষমতার বৃত্তের বাইরে থাকা শ্রমজীবী মানুষ–তাহলে তো মৌনতায় প্রচলিত রীতি। স্বাধীনতা সাত দশক পেরিয়েও মেহনতী মানুষের প্রাপ্তির ঝুলি ক্রমশ ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন একটু একটু করে ছেঁটে ফেলা হচ্ছে ন্যায্য পাওনা, অধিকারের পরিধিও ক্রমক্ষীয়মান। পাল্টা সংগ্ৰামই তাই অধিকার অর্জনের একমাত্র হাতিয়ার। সংখ্যায় কম হলেও, সে দৃষ্টান্তও স্বাধীনোত্তর ভারত দেখেছে ভিন্ন পরিসরে, ভিন্ন আঙ্গিকে। আলোচ্য নিবন্ধে ধরা রইল তেমনই দুই সংঘর্ষ ও নির্মাণের কাহিনী।

Saraswati Sen, a 19th century pioneer of women’s education: Context Gobardanga

সরস্বতী সেন, উনিশ শতকের একজন নারী শিক্ষার পথিকৃত : প্রসঙ্গ গোবরডাঙ্গা

Author – Swagata Bhowmik

Language – Bengali

Published Date – 15th September 2024

     সমাজ সংসারে নারীকে তাঁর অধিকার প্ৰতিষ্ঠা করতে সর্বদাই যেন সমাজের সাথে এক লড়াইয়ের মাধম্যে চলতে হয়েছে।সময়কালটা উনিশ শতক সেই সময় নারীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহন ছিল অসম্ভব ছিল বললেই চলে।সেই সময়ে দাঁড়িয়ে তৎকালীন সামাজিক প্রতিবন্ধকতাগুলিকে কাটিয়ে গোবরডাঙ্গার খাটুরা গ্রামের মেয়ে সরস্বতী সেন প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় নিজেকে শিক্ষিত করে সমাজে নারী উন্নয়ন এর যে ভূমিকা নেন তা সত্যিই দৃষ্টান্ত স্বরূপ।কার্তিক চন্দ্র পাল ও পিতাম্বরিদেবীর ঘরে ১৮৪৮সালে জন্ম হয় সরস্বতী সেনের।বরাহনগর নিবাসী রামসেবক সেনের পুত্র শ্রীনাথ সেনের সাথে নয় বছর বয়সে সরস্বতীর বিয়ে হয়ে যায়,১৮৫৭সালে,মাত্র দুই বছরের মধ্যেই তিনি বিধবা হন।মামা ক্ষেত্রমোহন ও মামিমা কুমুদিনীর সংস্পর্শে এসে তার জীবনবোধের পরিবর্তন হয়।মামাতো ভাইদের সাথে ধাপে ধাপে বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষাগ্রহণ করেন সরস্বতী।সেই সময় মামা ক্ষেত্রমোহন দত্তের বাড়িতে আগমন ঘটে ব্রাহ্মসমাজের অন্যতম ব্যক্তিত্ব রামতনু লাহিড়ীর,সেখান থেকেই ব্রাহ্ম আদর্শে প্রভাবিত হন তিনি।পরবর্তীতে বেথুন স্কুলে শিক্ষা গ্রহন করেন সরস্বতী।খাঁটুরা বালিকা বিদ্যালয়েও তিনি শিক্ষকতা করেন।হিন্দু পরিবারের বিধবা মহিলাদের দূঃখ দুর্দশা থেকে মুক্তির উপায় তিনি একমাত্র সাবলম্বী হওয়াই মনে করেছিলেন ও সেইমত নারী শিক্ষার বিস্তারে তিনি অগ্রনী হন।সেইমত কিছু রচনাও করেন যেমন-‘প্রার্থনা’,’মাঘোৎসব’ প্রভৃতি।খাঁটুরায় মামা ক্ষেত্রমহনের ব্রাহ্মমন্দির প্রতিষ্ঠার সাথে তিনি ওতপ্রোত ভাবে জড়িত ছিলেন।বেথুন স্কুলে শিক্ষকতা করে ও সারাজীবনে যা উপার্জন করেছিলেন এই মন্দিরে ও নারীশিক্ষার উন্নতিতে তিনি ব্যায় করেন।১৯২৯সালে এই মন্দিরেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।উনিশ শতকে দাঁড়িয়ে মেয়েদের অবলা থেকে সবলা হতে তিনিই শিখিয়েছিলেন।’সরস্বতী’ তার নাম প্রকৃতঅর্থেই ছিল সার্থক যা তিনি তার কাজের মাধম্যে বুঝিয়েছিলেন।

Crime detection and punishment in early India: From the perspective of Arthashastra

আদিপর্বের ভারতে অপরাধ শনাক্তকরণ এবং শাস্তি : অর্থশাস্ত্রের দৃষ্টিতে

Author – Eaishe Sinha

Language – Bengali

Published Date – 15th September 2024

      রাষ্ট্রের বিচার ব্যবস্থার মূল দায়িত্ব সমাজে অপরাধ শনাক্তকরণ এবং সমাজকে অপরাধীর থেকে রক্ষা করা। প্রাচীন ভারতে অপরাধের প্রকৃতি ও অপরাধ শনাক্তকরণের বিষয়টি প্রথম উঠে আসে ঋক বেদে, যেখানে চুরি ও ডাকাতির বারংবার উল্লেখ থেকে মনে করা যেতে পারে বৈদিক সমাজে নিঃসন্দেহেই চুরির প্রবণতা ছিল বেশি। পরবর্তীসময়ের বিভিন্ন সাহিত্যিক উপাদান (রামায়ন, মহাভারত, অর্থশাস্ত্র, পুরাণ ও ধর্মশাস্ত্র) এবং প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান (অশোকের ৪র্থ স্তম্ভলেখ, খালিমপুর তাম্রশাসন, প্রতাপগড়ের লেখ ইত্যাদি) থেকে একাধারে অপরাধ ও অপরাধ অনুসন্ধানের কাজে নিযুক্ত কর্মচারীদের কথার উল্লেখ পাওয়া যায়। সুতরাং বলা যায় যে, সমাজে অপরাধের প্রবণতা বহুপূর্বেই ছিল। তাই আলোচ্য প্রবন্ধে অপরাধ শনাক্তকরণের প্রক্রিয়াটি ঋক বেদের হাত ধরেই শুরু করা হল এবং প্রাচীন ভারতের এই অপরাধ ও অপরাধ মুক্ত সমাজ গঠনের বিষয়টি অত্যন্ত নিগূড় ও বিস্তারিত হবার কারণে কেবল কৌটিল্যের কালজয়ী গ্রন্থ অর্থশাস্ত্রের ভিত্তিতেই এই বিষয়টিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হল।