VOLLUME 02, ISSUE 01, (JANUARY - JUNE) 2025
Published On 28 th March 2025
Darkness Behind the Brightness: Child Labor in the Fashion Industry and Mica Mines
উজ্জ্বলতার আড়ালে অন্ধকার : ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি এবং অভ্র খনিতে শিশু শ্রমিক
Author – Sujit Poria
Language – Bengali
Published Date – 28th March 2025
Abstract
“মেকআপ” ক্ষমতায়নের প্রতীক, আত্মপ্রকাশের মাধ্যম এবং ব্যক্তিত্বের উদযাপন। মেকআপ ক্ষমতায়নের জন্য একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে, যা কেবল মুখ নয়, জীবনকেও রূপান্তরিত করে। মেকআপ পণ্য তৈরির জন্য অভ্র একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ। যদিও অভ্র বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়, তবে সেরা মানের অভ্র শুধুমাত্র মেকআপ শিল্পে ব্যবহৃত হয়। ঔপনিবেশিক সময় থেকে, ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্য অভ্র সংগ্রহ এবং নিষ্কাশনের ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল। স্বাধীনতার পর ঝাড়খণ্ডের বন সংরক্ষিত বনের আওতায় এলেও, এই খনিগুলি বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু বাসিন্দারা অবৈধভাবে অভ্র খনন অব্যাহত রাখে। সাধারণত, গিরিডিহ এবং কোডারমা জেলার বিপুল সংখ্যক শিশু এই অবৈধ খনিতে কাজ করে এবং এমনকি বিভিন্ন দুর্ঘটনায় মারা যায়। সমাজের উচ্চবিত্ত মানুষের ব্যক্তিত্বের ক্ষমতায়ন এবং প্রকাশের জন্য দরিদ্র ও প্রান্তিক শিশুদের শোষণ এবং মৃত্যুর ভিন্ন ভিন্ন চিত্র খবরে পরিবেশিত হয় তারই বিশ্লেষণ করা হয়েছে এই গবেষনা পত্রে। ।
The activities of the British administration and the reaction of the public in the southwestern border areas of Bengal during the 1857 rebellion
১৮৫৭-র বিদ্রোহকালীন বাংলার দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ব্রিটিশ প্রশাসনের তৎপরতা ও জনসমাজে প্রতিক্রিয়া
Author – Palash Senapati
Language – Bengali
Published Date – 28th March 2025
Abstract
১৮৫৭-এর সিপাহী বিদ্রোহের আঞ্চলিক তারতম্যের বিষয়টি এরিক স্টোকস দক্ষতার সাথে আলোচনা করেছেন। ভৌগোলিক অবস্থান, আবহাওয়া ও পরিবেশ, জমির উর্বরতা ইত্যাদি নানান কারণের ফলে স্থানীয় স্তরে বিদ্রোহের মধ্যে বৈচিত্র্য দেখা দিয়েছিল। এই বিষয়গুলি মাথায় রাখলে বাংলার দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সিপাহী বিদ্রোহের সম্ভবনা হ্রাসের প্রবনতা বুঝতে অসুবিধা হয়না। কিন্তু তা স্বত্বেও যখন মেদিনীপুরের মতো অঞ্চলে ব্রিটিশ প্রশাসন বিদ্রোহের সম্ভাবনা উপলদ্ধি করে তৎপরতার সাথে ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করে এবং জনমনে বিদ্রোহের শুরু হওয়া নিয়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয় তখন বিদ্রোহের মূল এলাকার বাইরের অঞ্চলের প্রতিও আমাদের মনে আগ্রহের উদ্রেক হয়। সেই রকম আগ্রহের উদ্রেক থেকেই এবং নিজ অঞ্চলের মহাবিদ্রোহকালীন সিপাহীদের অবস্থান, বিট্রিশ প্রশাসনের তৎপরতা এবং জনসমাজের ভাবনা ফুটিয়ে তোলার একটা প্রয়াস করা হয়েছে এই নিবন্ধে।
The Rise of Female Performers and the Decline of the ‘Male Queen’ Tradition: Reimagining Gender Roles in Bengali Jatra
Author – Sarthak Laha
Language – English
Published Date – 28th March 2025
Abstract
The research aims to present a nuanced and intersectional reading of the lived realities of women actresses in Jatra Pala, highlighting the structural inequalities they navigate while also acknowledging their resistance and resilience within a patriarchal cultural structure as in other areas of Bengali culture, the female roles in the Jatra stage were mainly played by male actors, who were called ‘male queens’ or ‘female impersonators.’ The participation of female actors is a significant evolution in the history of the journey of Jatra. In this context, the rise of Jyotsna Dutta as the first female actor and her transition from a refugee to a journey of ‘jatra samragnee’ or ‘Empress of jatra’ is a paradigm shift. In the field of opera, since the 1960s, actresses such as Jyotsna Dutta, Tararani Pal, Chitra Mallick, Firozabala, Jayshree Mukherjee, Chanda Chatterjee, Bina Dasgupta, Bela Sarkar, Lata Desai, Mahua Bhattacharya, and Kakoli Choudhury, Champa Halder have played the leading female roles and taken the medium to new heights. However, the advent of female actors in the amateur journey or Sakher Jatra of rural Bengal happened relatively late. This article mainly analyses the evolution of performance in the professional journey and the history of the place and participation of these female actors. Drawing on a rich corpus of visual and textual sources like jatra posters, jatra scripts, interviews, first-hand testimonies form the actresses and archival materials, this work will seek to provides a feminist analysis of the lives, struggles, and agencies of women actors of the Jatra industry. In this regard, the main role has been played by the literature and newspaper elements such as Jatra Loka, Jatra Jagat, Jugantar, Anandalok, Jatra Academy Patrika, etc. The article attempts to explain the gendered politics of travel, the creative role of women, and the traditional dominance of men from the perspective of feminist research methods.
The existential crisis of uprootedness: The life struggle of refugee women in West Bengal after Partition
ছিন্নমূলের অস্তিত্বের সংকট : দেশভাগ- পরবর্তীকালে পশ্চিমবঙ্গের উদ্বাস্তু নারীদের জীবন সংগ্রাম
Author – Usasee Chowdhory
Language – Bengali
Published Date – 28th March 2025
Abstract
১৯৪৭ সালের দেশভাগের প্রভাব পশ্চিমবঙ্গের উদ্বাস্তু মহিলাদের জীবনে নেতিবাচক ও ইতিবাচক দুই ভাবেই দেখা দিয়েছে। দেশভাগ ওপার বাংলার হাজার হাজার নারীদের জীবনে নিয়ে এসেছিল নির্যাতন ও লাঞ্ছনা,পশ্চিমবঙ্গে এসেও যা শেষ হয় নি। প্রাথমিক ভাবে তাঁদের নানা দুর্দশা সহ্য করতে হলেও, পরবর্তীকালে তাঁরা নিজেদের স্বাবলম্বী করে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। সংসারের আর্থিক কষ্ট ঘোচানো তাদের কর্মজগতে প্রবেশের মূল কারণ হলেও, এখানে তাঁরা খুজে পেয়েছিলেন নিজস্ব দুনিয়া। তাঁরা পথ চলতে গিয়ে হোঁচট খেয়েছেন কিন্তু থেমে যাননি। শিক্ষাবিভাগ থেকে বিনোদনের দুনিয়া, কর্মজগতের সমস্ত ক্ষেত্রে তারা রেখেছেন সাফল্যের নজির। লেখাপড়ার সুযোগ যারা পাননি তাঁরাও নিজেদের সাধ্যমতো স্বনির্ভর হওয়ার চেষ্টা করে গিয়েছেন। তাঁরা পথ চলতে গিয়ে হোঁচট খেয়েছেন কিন্তু থেমে যাননি। দেশভাগ পরবর্তীকালে ঘরে -বাইরে তাদের সংগ্রামের কথা, এই প্রবন্ধের মূল আলেচ্য বিষয়।
Police torture of marginalized women during the civil disobedience movement in Bengal, 1930-1932
বাংলায় আইন অমান্য আন্দোলনে প্রান্তিক মহিলাদের ওপর পুলিশি নির্যাতন, ১৯৩০-১৯৩২
Author – Tanmay Malakar
Language – Bengali
Published Date – 28th March 2025
Abstract
নিম্নবর্গের প্রখ্যাত ঐতিহাসিক রণজিৎ গুহ তাঁর Dominance Without Hegemony: History and Power in Colonial India গ্রন্থে লিখেছেন, “reading archival material or official report against it grains” (Guha 1) অর্থাৎ মহাফেজখানা বা লেখ্যাগারের নথিকে বিপরীত দিক থেকে পাঠের প্রয়োজনীয়তা আছে যাতে শাসকের চেতনা সেখানে ফুটে না ওঠে। কারণ অতি সাধারণ মানুষের স্বর, চেতনা এবং অনুভূতি সেই নথি থেকে একজন গবেষক কে উপলব্ধি করতে হবে। গৌণ উপাদানে পেশাগত ঐতিহাসিকেরা উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্বের কীর্তিনিনাদ গেয়েছেন, সে পুরুষ হোক বা মহিলাই হোক, কিন্তু বাস্তবিক অর্থে সরকারি নথিতে তার বিপরীত চিত্রই আমরা প্রত্যক্ষ করি। যেমন ঔপনিবেশিকতা বিরোধী জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে বিভিন্ন শ্রেণী, জাতি, বর্ণ যোগদান করলেও বেশিরভাগ মানুষ মহাত্মা গান্ধী, জহরলাল নেহেরু, বল্লভভাই প্যাটেল, মৌলানা আবুল কালাম আজাদের কথায় জানেন আবার মহিলাদের মধ্যে সরোজিনী নাইডু, সরলাদেবী চৌধুরানী, বাসন্তী দেবী, ঊর্মিলা দেবীর কথায় জানেন। কিন্তু ক’জন সত্যবতী নামক বারবণিতা, পদ্মা নামক দুধ বিক্রেতা, বরদাময়ী হাইত এর মত প্রান্তিক মহিলাদের কথা জানেন? ব্রিটিশ শাসন যখন মধ্যগগনে সেইসময় নিজেদের জীবনের পরোয়া না করে সেই নিষ্ঠুর শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন এই সকল প্রান্তিক মহিলা এবং সন্মুখীন হয়েছিলেন সীমাহীন পুলিশি নির্যাতনের। এখান থেকেই আলোচ্য প্রবন্ধের অন্বেষণ, শারীরিক নির্যাতন বলতে কি বোঝায়? নির্যাতনের ডিসকোর্স কি? বাংলায় কিভাবে এই প্রান্তিক মহিলাদের ওপর বর্বর নির্যাতন চলেছিল এবং কেন চলেছিল?
Pandita Ramabai Saraswati, pioneer of women’s liberation and social justice movements
নারীমুক্তি এবং সামাজিক-ন্যায় আন্দোলনের অগ্রদূত পন্ডিতা রমাবাঈ সরস্বতী
Author – Ashim Biswas
Language – Bengali
Published Date – 28th March 2025
Abstract
১৯২২ সালের ৫ এপ্রিল এক মহান মহীয়সী ভারতীয় নারী ইহলোক ত্যাগ করে পরলোক গমন করেছিলেন। ২০২২ সাল ছিল তাঁর শততম মৃত্যুবার্ষিকী বর্ষ। তিনি আর কেউ নন, তিনি হলেন ভারতবর্ষের সেই মহান মহীয়সী নারী, যিনি নারী মুক্তি আন্দোলনের ক্ষেত্রে, রাজনৈতিক আন্দোলনের ক্ষেত্রে, শ্রমিক আন্দোলনের ক্ষেত্রে, স্ত্রীজাতির বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক আন্দোলনের ক্ষেত্রে সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন -তিনি হলেন পন্ডিতা রমাবাঈ সরস্বতী। উনিশ শতকের ভারতবর্ষের শিক্ষাব্যবস্থায় নারী শিক্ষার বিষয়টি ছিল একেবারে নড়বড়ে, সুসংগঠিত কোনো পরিকাঠামো ছিল না। রাষ্ট্রবাদী সমাজ কর্তৃক নারীসত্ত্বার কোনো স্বীকৃতিও ছিলনা, নারীর অধিকার যে পুরুষের সমান, সেটাও সমাজ ভাবত না। যদিও রেনেসাঁ বা নবজাগরণের সূত্রপাত হয়েছিল উনিশ শতকের প্রথমার্ধ থেকেই, তবুও এই সমাজে নারীর অবস্থান একেবারে শোচনীয় ছিল। হিন্দু ধর্মের গোঁড়ামি, পিতৃতান্ত্রিক সমাজ, জাত ব্যবস্থা, বাল্যবিবাহ, উচ্চশ্রেণির বিধবা মহিলার নিয়মের বেড়াজাল, প্রভৃতি ক্রমশ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে সমাজের প্রতিটি সামাজিক ক্ষেত্রে। ভারতীয় সমাজ ব্যবস্থায় এই রকম পরিস্থিতিতে হিন্দু নারীদের অবস্থার উন্নতির জন্য নারীদের শিক্ষিত করতে এবং হিন্দুদের গোঁড়ামি ও পিতৃতন্ত্রের বেড়াজাল থেকে নারীদের মুক্তির পথ দেখান রমাবাঈ। এরই প্রেক্ষিতে রমাবাঈয়ের কর্মপ্রচেষ্টা ও নারী মুক্তি আন্দোলনের জন্য তাঁর কর্মকাণ্ড নিঃসন্দেহে এক উল্লেখযোগ্য পর্ব হিসেবে ভারতীয় ইতিহাসে স্থান দখল করেছে। সাম্প্রতিককালে নারীর ক্ষমতায়ন, লিঙ্গ-সাম্য ও নারী-পুরুষের সমান অধিকারের দাবিতে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যখন চর্চা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন রমাবাঈয়ের লেখা ও তাঁর কাজের প্রাসঙ্গিকতা আমাদের অনেক বেশি অনুপ্রাণিত করে। তিনি নারী শিক্ষা, নারীমুক্তি, শ্রমিক নিপীড়নের বিরুদ্ধেও নিরলস আন্দোলন পরিচালনা করেছিলেন। সামাজিক ন্যায় ও অসম শিক্ষার বিরুদ্ধে তাঁর লড়াই ছিল শক্তিশালী। তাই এক অসাধারণ নারী পন্ডিতা রমাবাঈ সরস্বতীর অসামান্যা হয়ে ওঠার কাহিনী আমি, আমার এই গবেষণাপত্রে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
When rehabilitation becomes a disaster: The context is the upper Damodar River basin region
পুনর্বাসন যখন বিপর্যয়ের নামান্তর: প্রসঙ্গ দামোদর নদের উচ্চ অববাহিকা অঞ্চল
Author – Deboti Dey
Language – Bengali
Published Date – 28th March 2025
Abstract
১৭৯৩ খ্রিষ্টাব্দে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের দরুন বন্যা ঠেকাতে প্রথম বার নদীপাড়ে বাঁধ আবশ্যক হয়ে ওঠে। ক্রমে বিংশ শতক থেকে যান্ত্রিক সভ্যতার বিকাশে কৌশলগত প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে চলল নদীশাসন। তবে এই বিবিধ কার্যক্রমে অববাহিকা অঞ্চলে আর্থ- সামাজিক ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপের পরিণাম কি হতে পারে ইহাই হল গবেষনা পত্রের বিষয়বস্তু। মনুষ্যস্বার্থের তাগিদে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ ব্যাবস্থার বিকাশের অছিলায় যখন বৃহৎ জলাধার নির্মাণ প্রকল্প শুরু হল, তার খেসারত দিতে হল একদল অসহায় উপজাতীয় মানুষদের। যার ফলে বিষিয়ে ওঠে নদী ও মানুষের মধ্যেকার আন্তরিক সম্পর্ক, ছিন্ন হয় মানুষের সঙ্গে নদীর ভালোবাসার বন্ধন। পাশাপাশি উচ্ছেদ এবং পুনর্বাসনের নির্মম দোলাচলের মধ্য দিয়ে জীবন জীবিকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হল। ফলে মানুষের পাওয়া না পাওয়ার ভিতর অন্তরায় থেকে গেল কতটা? এর দায়ভার নিতে সরকার কি আদেও সফল হয়েছিল!
Women and their empowerment in the development of Santal society during the period of independence: Bankura district
স্বাধীনতাত্তোর পর্বে সাঁওতাল সমাজ উন্নয়নে নারী ও তাদের ক্ষমতায়নঃ প্রসঙ্গ বাঁকুড়া জেলা
Author – Sanjay Das
Language – Bengali
Published Date – 28th March 2025
Abstract
ভারতীয় সংবিধানে প্রত্যেক মানুষের সমান অধিকারের কথা বলা হলেও স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছর পরেও ভারতে বেশিরভাগ স্থানে নারীরা সেই অধিকার পায় না। ভারতীয় নারীদের সমানাধিকার অর্জনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, যেমন- কর্মক্ষেত্রে পুরুষদের সমান বেতন না পাওয়া, দৈনন্দিন কাজের সামাজিক মর্যাদা না পাওয়া, অর্থনৈতিক পরনির্ভরশীলতা প্রভৃতি। ভারতে পিছিয়ে পড়া আদিবাসী সমাজে এই লিঙ্গ বৈষম্যের হার আরও বেশি, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। পুরুষদের সমান পরিশ্রমী হয়েও আদিবাসী মহিলারা যেমন একদিকে শিক্ষা ও সুস্বাস্থ্য থেকে বঞ্চিত, তেমনই আবার তারা তাদের কর্মের যথাযথ মর্যাদা পায়না। তাই ভারতীয় সমাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে তাদের অংশগ্রহণ পুরুষদের তুলনায় অনেক কম। এই আদিবাসী সমাজ অধিকাংশ অত্যন্ত দরিদ্র, অনগ্রসর এবং প্রান্তীয়। দেশের প্রাচীনতম অধিবাসী হয়েও তারা আজও তথাকথিত সভ্য নাগরিক সমাজ থেকে দূরে বসবাস করে এবং যুগ যুগান্তর ধরে বঞ্চিত ও শোষিত। দেশের অন্যান্য আদিবাসী গোষ্ঠীগুলির মত সাঁওতাল নারীরাও আজ নানা আগ্রাসনের শিকার। একদিকে যেমন তাদের ভূমি, ভাষা, সম্পদ প্রভৃতির উপর আক্রমন চালানো হচ্ছে, অন্যদিকে আবার শিল্পায়ন ও নগরায়নের ফলে তাদের জীবন থেকে নিজস্ব ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ভাষা সবই হারিয়ে যেতে বসেছে। পুরুষেরা সামাজিক-সাংস্কৃতিকগত এই পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে কিছুটা মানিয়ে নিতে পারলেও, নারীদের জীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। অর্থনৈতিক পরনির্ভরতা ও শিক্ষাক্ষেত্রে অনগ্রসরতার ফলে তারা মর্যাদাহীন জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে। অথচ তারাই যুগ যুগ ধরে আদিবাসী সমাজের মূল কাঠামো রক্ষার্থে জীবনপাত করে আসছে। সাঁওতালদের বিদ্রোহ চলাকালীন তারা যেমন পুরুষদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলনে সামিল হয়েছিল, তেমনি তাদের চিরাচরিত পারিবারিক মূল কাঠামোটিকে ধরে রাখতে ঘরে বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই তারা কঠোর পরিশ্রম করে চলেছে।
Refugee flows in post-independence India: Context Bengali refugees
স্বাধীনোত্তর ভারতে উদ্বাস্তু প্রবাহ : প্রসঙ্গ বাঙ্গালি উদ্বাস্তু
Author – Arunima Bhattacharya
Language – Bengali
Published Date – 28th March 2025
Abstract
স্বাধীন হওয়ার পর ভারতে দেশভাগের ফলে হিন্দু মুসলমান ও শিখদের মধ্যে ভয়াবহ ও অবর্ণনীয় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সৃষ্টি হয়েছিল যা ভারতকে প্রায় গৃহযুদ্ধের মুখে ঠেলে দিয়েছিল। ভারত বিভাজন হওয়ার ফলে, পশ্চিম পাঞ্জাব, উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ, বালুচিস্তান, সিন্ধু ,পূর্ববাংলা, এই সমস্ত অঞ্চল পাকিস্তানে পড়েছিল। এই সমস্ত অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক মুসলমানদের অত্যাচারে লক্ষ লক্ষ হিন্দু শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ সমস্ত কিছু হারিয়ে নিজেদের চিরপরিচিত ভিটেমাটি ত্যাগ করে নিজেদের জমিজমা সর্বস্ব হারিয়ে ভারতে চলে আসতে থাকেন। অনুরূপভাবে পশ্চিমবঙ্গ, পূর্ব পাঞ্জাব থেকে বহু মুসলমান সাম্প্রদায়িক হিন্দুদের অত্যাচারে পাকিস্তানে চলে যায়। দেশভাগের সাথে সাথে ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে উদ্বাস্তুরা ছড়িয়ে পড়েছিল। স্থানীয় মানুষজন যাদের ঘৃণা আর অনাদর করেছে সরকার, সরকারি আমলারা যাদের প্রতারণা করেছে সেই উদ্বাস্তু জনতা দল অস্তিত্ব রক্ষার্থে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলাগুলিতে ক্রমে ক্রমে এক একটি করে উদ্বাস্তু কলোনি গড়ে তুলতে থাকে। সে বিষয়ে বিস্তারিতভাবে এই প্রবন্ধে আলোচনা করা হল।
Bengali women’s foreign travels and social reforms in the 19th century
উনিশ শতকে বঙ্গ-নারীর বিদেশযাত্রা ও সমাজ-সংস্কার
Author – Bikramjit Das
Language – Bengali
Published Date – 28th March 2025
Abstract
ঔপনিবেশিক আমলে বাঙালি নারীদের ভ্রমণকাহিনী তাদের ঘরের চার দেওয়াল ভেদ করে বেরিয়ে আসা এবং বদ্ধ সমাজের নারীত্বের বাধা ভেঙে আসা নারীদের মনের উন্মুক্ততার সাক্ষ্য দেয়। এই ভ্রমণগুলি তাদের বিশ্বের অনেক বিস্তৃত দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে। ভ্রমণকাহিনী তাদের বিশ্ব সম্পর্কে আরও বিস্তৃত দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে। ভ্রমণকাহিনী প্রকাশ করে যে নারীরা বিভিন্ন সংস্কৃতি এবং তাদের নিজস্ব থেকে পৃথক সামাজিক ব্যবস্থার সংস্পর্শে আসার সময় একটি সমালোচনামূলক এবং তুলনামূলক মনও গড়ে তুলেছিলেন। প্রাথমিক নারীদের ভ্রমণকাহিনীর মূল প্রবণতা শুধুমাত্র তাদের নিজস্ব অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতা প্রকাশ করা ছিল কিন্তু সাহিত্যকে সমাজের প্রতিচ্ছবি বলে দাবি করা যেতে পারে। ঔপনিবেশিক আমলের এই ভ্রমণকাহিনীগুলি ওই সময়কালে নারীদের মধ্যে উদ্ভূত উপলব্ধি, চেতনা এবং সামাজিক মূল্যবোধের একটি নতুন স্তর প্রকাশ করে। বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে, বাঙালি ভদ্রমহিলারা ভারত এবং বিদেশী ভূমির পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ও তুলনা করতেন। এটি একটি আত্মপরিচয় অনুসন্ধানের মাধ্যম হয়ে ওঠে। তাই এই প্রবন্ধটি নারীর আধুনিকীকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র অন্বেষণ করার একটি প্রচেষ্টা।
Communication infrastructure of colonial Midnapore district: establishment and expansion of postal services
ঔপনিবেশিক মেদিনীপুর জেলার যোগাযোগ পরিকাঠামো : ডাক পরিষেবার পত্তন ও প্রসার
Author – Sandip Manna
Language – Bengali
Published Date – 28th March 2025
Abstract
পারস্পরিক যোগাযোগ স্থাপনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ডাক ব্যবস্থা। ঔপনিবেশিক কালপর্বে মেদিনীপুরের যোগাযোগ পরিষেবার অভিন্ন অঙ্গ ছিল ডাক। ডাক ব্যবস্থার পত্তন ও ডাক পরিষেবার বিস্তার মেদিনীপুর জেলাতে ঔপনিবেশিক সময় পর্বে বিশেষভাবে দেখা যায়। মধ্য 19 শতক থেকে এর জয়যাত্রা শুরু। আলোচ্য প্রবন্ধের মূল উদ্দেশ্য হল আলোচ্য পর্বে মেদিনীপুরের ডাক ব্যবস্থার বিবর্তন তুলে ধরা।
The emergence of alternative professions in refugee communities and efforts to escape marginalization: The experience of Nadia district
উদ্বাস্তু সমাজে বিকল্প পেশার উদ্ভব এবং প্রান্তিকতা থেকে মুক্তির চেষ্টাঃ নদিয়া জেলার অভিজ্ঞতা
Author – Sudipta Sadhukhan
Language – Bengali
Published Date – 28th March 2025
Abstract
দেশভাগের ফলে পূর্ববঙ্গ থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে নদিয়া জেলায় আশ্রয় নেওয়া উদ্বাস্তুদের জীবনসংগ্রাম, সামাজিক পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক অভিযোজন এই গবেষণার মূল বিষয়। ১৯৪৭ সালে উপমহাদেশ স্বাধীন হলেও বহু হিন্দু শরণার্থীর কাছে তা সর্বস্ব হারানোর শোক নিয়ে আসে। নদিয়া জেলা, বিশেষত সীমান্তবর্তী অঞ্চল হওয়ায় বিপুল উদ্বাস্তু প্রবাহ প্রত্যক্ষ করে। এদের মধ্যে নমঃশূদ্র, কৃষিজীবী ও তাঁতশিল্পে নিযুক্ত জনগোষ্ঠীর আধিক্য ছিল। এই সকল কৃষিজীবী উদ্বাস্তুদের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সমবায় গঠনে সাহায্য করে, যা পরবর্তীতে অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের সহায়ক হয়। এপ্রসঙ্গে নারীদের ভূমিকা বিশেষভাবে আলোচিত, কারণ দেশত্যাগ তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির পথও উন্মুক্ত করে। তাঁতশিল্পে উদ্বাস্তুদের ভূমিকা নদিয়ার অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে, বিশেষত ফুলিয়া-শান্তিপুর অঞ্চলে তাঁতশিল্পের বিকাশ ঘটে। এছাড়া, নতুন পেশার অনুসন্ধান ও পরিবহন ব্যবস্থার প্রসারে উদ্বাস্তুদের অবদান স্পষ্ট। সামগ্রিকভাবে, দেশভাগ নদিয়ায় একটি নতুন সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোর জন্ম দেয়, যা উদ্বাস্তুদের দীর্ঘ সংগ্রামের ফলশ্রুতি। বর্তমান গবেষণা নিবন্ধে উদ্বাস্তু সমাজের সেই রূপান্তর প্রচেষ্টাকে গবেষণাধর্মী তথ্যের আলোকে তুলে ধরা হয়েছে।
Rajendralal Mitra, a unique foundation builder in Indian history
ভারতীয় ইতিহাসের এক অনন্য ভিত্তি নির্মাতা রাজেন্দ্রলাল মিত্র
Author – Swapan Das
Language – Bengali
Published Date – 28th March 2025
Abstract
বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রণেতা হলেন রাজেন্দ্রলাল মিত্র। তিনিই প্রথম বাঙালি যিনি সাফল্যের সঙ্গে নব উদ্ভাবিত প্রত্নতাত্ত্বিক বিজ্ঞানের (science of archaeology) ওপর শিক্ষা লাভ ও বিষয়টি চর্চা করেন। ভারতীয়দের প্রথমদিককার কয়েকজনের মধ্যে তিনিই প্রথম যিনি মানুষের অগ্রগতিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির গুরুত্ব উপলব্ধি করেন। ভারতীয়দের দ্বারা দেশজ প্রত্ন-নিদর্শন সম্পর্কিত বিদ্যাচর্চার ভিত্তি স্থাপন করেন রাজেন্দ্রলাল। পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে কঠোর ও নিরলস শ্রম দেশ-বিদেশ থেকে তাঁর জন্য সম্মান বয়ে আনতে শুরু করে। উপনিবেশিক যুগের প্রাথমিককালের ভারতীয়দের মধ্যে পান্ডিত্য এবং শিক্ষিত ব্যক্তি হিসেবে তিনি ইউরোপে সম্মানিত হন। তিনি ব্রিটেন এবং আয়ারল্যান্ডের ‘রয়্যাল এশিয়াটিক সোসাইটি’র সদস্যপদ লাভ করেন। ঊনবিংশ শতকের জ্ঞান, বুদ্ধি, কর্ম, জীবনবোধ এবং মনুষ্যত্বের আদর্শে পরিপূর্ণ এক ব্যক্তিত্ব হিসেবে রাজেন্দ্রলাল মিত্র। তাঁর জীবনের কর্ম ও সাধনা ভারতবাসীর প্রতি যে মহৎ অবদান রেখে গেছে তার একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ এই প্রবন্ধে তুলে ধরার চেষ্টা করলাম।
Description of the landforms of early Bengal based on copperplate inscriptions (9th to 12th centuries AD)
আদি বাংলার তাম্রপট্টের নিরিখে ভূমিরূপের বর্ণনা (খ্রিষ্টীয় নবম থেকে দ্বাদশ শতক)
Author – Munna Rajak
Language – Bengali
Published Date – 28th March 2025
Abstract
প্রস্তাবিত নিবন্ধের উদ্দেশ্য বাংলার তাম্রপট্টের নিরিখে ভূমিরূপ এবং গ্রামীণ বসতির ভৌগলিক চরিত্র সংক্রান্ত একটি সার্বিক চর্চা। প্রসঙ্গত তাম্রশাসন গুলি অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভূমিদান সংক্রান্ত দলিল এবং এগুলিতে প্রদত্ত ভূমির সীমা নির্ধারণ প্রসঙ্গে নানা ভূমিরূপ সংক্রান্ত উপাদান গুলির উল্লেখ করা হয়ে থাকে। কাজেই লেখতে ভূমির সীমানার নির্ধারক হিসাবে উল্লেখ করা- গ্রামীণ জনবসতি, পাহাড়, পর্বত, উচু বা নিচু জমি, জলীয় ভূপ্রকৃতি, রাস্তা , বাঁধ, জঙ্গল, গাছ, ইত্যাদি নানান ভূমিরূপগত উপাদানগুলি কার্যত হয়ে ওঠে ওই স্থান বা অঞ্চলটির ভূমিরূপগত ধারণারও দ্যোতক। এই ভূমিদানপট্টে ভূমিরূপের বিভিন্ন উপাদান এবং আঞ্চলিক বৈচিত্র্যগুলি কিভাবে প্রতিফলিত হয়েছে, এবং তা গ্রামীণ জনবসতির ধরণকে কিভাবে প্রভাবিত করছে এবং কিভাবে মানুষের সাথে ভূমিরূপের পারস্পরিক আদান-প্রদান পরস্পরকে প্রভাবিত করছে, সে প্রসঙ্গও এখানে দেখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আলোচ্য সময়পর্বে তাম্রশাসনে দানকৃত ভূমির বিবরণের মধ্যে যে প্রকার ভূমির বিবরণ রয়েছে তার মধ্যেও কি কোন রকম পরিবর্তন পাচ্ছি তা বোঝারও চেষ্টা করছি। দরবারী সংস্কৃতির একটি অংশ হল ভূমিদান প্রক্রিয়া। আমরা পুরোপুরি ভাবে এই সংস্কৃতিতে উচ্চ সংস্কৃতি দেখি বা দেখার চেষ্টা করি। এখানে কিন্তু এমনটা নয় এখানে আমরা মাটির জগৎ, প্রতিদিন মানুষের নিত্য-নিয়মিত তাগিদের সাথে, জীবনের বেঁচে থাকার সাথে যুক্ত একটা জগৎকে দেখি, যা কিনা সামাজিক ও বৌদ্ধিক আদান প্রদানের একটা বিরাট জগৎ। সেই জগৎ এ তথ্যের আদান প্রদান। লেখমালায় সামাজিক ও বৌদ্ধিক স্তরে যে স্তর বিন্যস্ত পরিকাঠামো পরিলক্ষিত হয় তা থেকে এটা অনুমান করা যায় এই দুই জগৎ এর গুরুত্ব এখানে রয়েছে। ভূ-দলিলে মাটির কাছাকাছির বহু তথ্য যেভাবে ফুটে উঠেছে যা বিষয়টিকে আরও বেশি পরিষ্কার করেছে। স্থানীয় ভূমিরূপ, ভূমিবিন্যাস এবং গ্রামীণবসতি সংক্রান্ত মানুষের ধারণা রাষ্ট্রীয় সমাজের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে আহরিত ও সংকলিত হয়ে স্তরে স্তরে পরিশীলিত সংস্কৃত ব্রাহ্মণ্য জ্ঞানভাণ্ডারে সন্নিবিষ্ট হতে থাকে, যা আবার রাষ্ট্রব্যবস্থার পক্ষে স্থানীয় সমাজ ও অর্থনীতির উপর নিয়ন্ত্রণের সহায়ক হয়ে দাঁড়ায়।
Where was the ancient tamralipta port
কোথায় ছিল প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বন্দর!
Author – Pravat Naskar
Language – Bengali
Published Date – 28th March 2025
Abstract
চীন বাংলার আর্থ-সামাজিক ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে বিশেষে প্রভাব বিস্তাকারী ছিল এই ঐতিহ্যশালী বন্দর (বন্দর নগরী) তাম্রলিপ্ত। কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকলেও প্রাচীন সাহিত্য ও লেখমালায় বর্ণিত ও বহু চর্চিত। প্রাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও বেশ কিছু প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্য ও পুরাণ, চীনা পরিব্রাজকদের লিখিত গ্রন্থ, টলেমী জিওগ্রাফিতে হিউশেগ্রাফি এরূপ আরো বেশ কিছু প্রাচীন গ্রন্থে উল্লেখ পাওয়া গেলেও প্রত্নতাত্ত্বিক সাক্ষ্যের স্বল্পতার কারনে বর্তমান গবেষকদের মনে নানা প্রশ্নের জাগে। সেই সব প্রশ্নের উত্তর এই গবেষণা পত্রে অনুসন্ধান করার চেষ্ঠা করা হয়েছে।